কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে ব্যবহারকারীদের জ্ঞান বাড়াতে নিউজ অ্যান্ড মিডিয়া লিটারেসি অ্যালায়েন্স এবং ডিপফেক গবেষক হেনরি আইডার–এর সঙ্গে যৌথভাবে একটি ব্যবহারিক নির্দেশিকা তৈরি করেছে টিকটক।
টিকটকের বৈশ্বিক জননীতি দলের এআই প্রধান টম ভার্গিস বলেন, এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট শনাক্ত করা, দায়িত্বশীলভাবে এআই ব্যবহার এবং সৃজনশীলতা বাড়াতে প্রতিষ্ঠানটি প্রযুক্তি, অংশীদারত্ব ও বিভিন্ন শিক্ষামূলক উদ্যোগে বিনিয়োগ করছে।
প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে ‘নো ফিল্টার’ ও ‘রাস্পবেরি পাই’–এর মতো অংশীদারদের সঙ্গে তৈরি শিক্ষামূলক কনটেন্ট ২০ কোটির বেশি বার দেখা হয়েছে। এ কর্মসূচির জন্য বিশ্বজুড়ে ৪০ লাখ মার্কিন ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে টিকটক।
ভুয়া তথ্য ও স্প্যাম ঠেকাতেও সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করছে প্রতিষ্ঠানটি। ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে ৮ কোটি ৬০ লাখের বেশি ভুয়া অ্যাকাউন্ট সরিয়ে ফেলা হয়েছে। রাজনীতি, সাম্প্রতিক ঘটনা, স্বাস্থ্য ও আর্থিক পরামর্শ–সংক্রান্ত স্প্যাম দ্রুত শনাক্ত করতে নতুন প্রযুক্তির পরীক্ষাও শুরু হবে।
এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্ট শনাক্তে সি২পিএ স্টিয়ারিং কমিটি–তে যোগ দিচ্ছে টিকটক। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, কনটেন্টের পরিচয়পত্র, নির্মাতার লেবেল এবং নিজস্ব অদৃশ্য জলছাপ প্রযুক্তির মাধ্যমে ইতিমধ্যে ৩০০ কোটির বেশি ভিডিওতে লেবেল যুক্ত করা হয়েছে। ফলে ব্যবহারকারীরা এআই দিয়ে তৈরি বা সম্পাদিত ভিডিও সহজে শনাক্ত করতে পারবেন।
এ ছাড়া ‘স্মার্ট স্প্লিট’ ও ‘এআই আউটলাইন’–এর মতো নতুন সুবিধা নিয়েও কাজ করছে টিকটক। ‘ম্যানেজ টপিকস’ সুবিধার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা তাঁদের ফিডে কতটা এআই–সম্পর্কিত কনটেন্ট দেখতে চান, সেটিও নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, নিরাপদ ও দায়িত্বশীল ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তুলতে শিক্ষা, স্বচ্ছতা ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।








